খুলনা | শুক্রবার | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বারিধারায় গাড়ির চাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু, ঘাতক কিশোর সংশোধনাগারে

খবর প্রতিবেদন |
০৩:০৩ পি.এম | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা এক নির্মাণ শ্রমিককে প্রাইভেটকার চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার কিশোর আজান শরীফকে (১৭) গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে তাকে ঢাকার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-৮-এ হাজির করা হলে বিচারক আজান শরীফকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ওই কিশোরকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম তাকে আটক রাখার আবেদন জানান।

আবেদনে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পরপরই প্রাইভেটকারের ড্রাইভিং সিটের দরজা খুলে কিশোর আজান আলী শরীফ বের হচ্ছে। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে আটক রাখা জরুং

অন্যদিকে, আদালতে আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করে দাবি করা হয়। এতে বলা হয়, কিশোর আজান আলী শরীফ চালকের আসনে নয়, বরং পাশের আসনে বসা ছিল। নিহত মেহেদী শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় বারবার হর্ন বাজানো সত্ত্বেও সময়মতো সরে যেতে পারেননি; ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে অভিযুক্ত কিশোরের পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। তবে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, বাকপ্রতিবন্ধী মেহেদী হাসান মীমের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তার বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা করেন।

এজাহারে গাড়িটির মূল চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, আসামি আকাশ মারক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে পিষে দেন, যা তার মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণ হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ