খুলনা | শুক্রবার | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আফগানিস্তানের ১০ ড্রোন মজুতকেন্দ্রে পাকিস্তানের হামলা

খবর প্রতিবেদন |
০৫:০৯ পি.এম | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

আফগানিস্তানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গভীররাতে আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশে অন্তত ১০টি এলাকায় আকাশপথে হামলা করেছে পাকিস্তান।

ইসলামাবাদের দাবি, এই এলাকাগুলিতে ড্রোন মজুত করছিল আফগানিস্তান। যদিও হামলায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।

গত কয়েক দিন ধরে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে ফের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত রোববার রাতেও আফগানিস্তানের কুনার এবং পাকতিকায় বোমা ফেলে পাকিস্তান। হামলায় অন্তত তিন আফগান নাগরিকের মৃত্যু হয়।

ওই ঘটনার তিন দিনের মাথায় ফের আফগানিস্তানে আক্রমণ করল পাক বাহিনী। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল­াহ তারারের দাবি, বুধবার আফগানিস্তান থেকে পাক ভূখণ্ডের দিকে ড্রোন ছোড়া হয়েছিল।

সেগুলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ওই ড্রোন হামলার জবাব দিতেই পাক বাহিনী আফগানিস্তানের ১০ জায়গায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি পাকিস্তানি মন্ত্রীর।

অন্য দিকে আফগানিস্তানের খোস্তের প্রাদেশিক প্রশাসনের মুখপাত্র মুস্তাগফির গুরবাজ জানান, খোস্তের কয়েকটি এলাকায় পাকিস্তান হামলা চালিয়েছে। তবে হামলায় কারও মৃত্যুর খবর মেলেনি বলেই জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে এই সংঘর্ষের মূলে রয়েছে ভারত। প্রতিবেশী দেশটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে উস্কে দিচ্ছে।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় তেহরিক-ই-তালিবান গোষ্ঠী। সশস্ত্র এই গোষ্ঠীকে পাকিস্তানি তালিবানও বলা হয়।

পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে প্রায়শই এদের সংঘর্ষ লেগে থাকে। তাদের দাবি, এই বিদ্রোহীদের মদত দিচ্ছে কাবুলের তালিবান সরকারই। যদিও এই অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে কাবুল।

গত মার্চে আফগানিস্তানের কাবুলে এক হাসপাতালে বোমা ফেলেছিল পাকিস্তান। হাসপাতালে ওই বোমাবর্ষণে অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছিল নয়াদিলি­ও। তার পর থেকে মাসখানেক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। কিন্তু গত সপ্তাহ থেকে ফের উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে থাকে।

উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে একটি থানায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়। তার পরে চলতি সপ্তাহে দু’বার আফগানিস্তানে হামলা করে ফেলল পাকিস্তানি বাহিনী।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ