খুলনা | শুক্রবার | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকিস্তান সফরে কবে যাবেন-জবাবে সাংবাদিকদের যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খবর প্রতিবেদন |
০৬:১০ পি.এম | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করেন এবং ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্কের ইতিবাচক গতি’ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে স্বল্প সময়ের জন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এশিয়া ওয়ানের খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কখন পাকিস্তান সফরের পরিকল্পনা করছেন?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংক্ষিপ্ত জবাবে বলেন, ‘আমরা একটি দিনক্ষণ ঠিক করব। আমরা সময়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

এদিকে, বৈঠক শেষে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়—বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শাহবাজ শরিফ বাংলাদেশের ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ব সংস্থাটির লক্ষ্য এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রতি পাকিস্তানের সমর্থনের কথা জানান। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ‘পারস্পরিকভাবে লাভজনক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার পাকিস্তানের দৃঢ় সংকল্প’ পুনর্ব্যক্ত করেন।

শাহবাজ শরিফের কার্যালয় জানায়, তারেক রহমানও একই ‘মনোভাব’ পোষণ করেন এবং ‘সম্পর্কের ইতিবাচক গতিপথে সন্তোষ’ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। দুই পক্ষ ‘বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শিক্ষা, পর্যটন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ’ ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ‘অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং বহুপক্ষীয় ফোরামগুলোতে, বিশেষ করে জাতিসংঘে, অব্যাহত সমন্বয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়েছে, দুই প্রধানমন্ত্রী ‘পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো’ নিয়ে মতবিনিময় করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর তাঁরা জোর দেন।’

প্রিন্ট

আরও সংবাদ