খুলনা | শনিবার | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ডুমুরিয়ায় দুদকের মামলা থেকে মুক্তি পেলেন খাদ্য পরিদর্শক

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি |
১১:৪৮ পি.এম | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দীর্ঘ সাত বছর পর দুদকের ফাঁদ মামলায় লড়াই শেষে মুক্তি পেলেন ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামের ওসি এলএসডি (খাদ্য পরিদর্শক) মোঃ ইলিয়াস হোসাইন। একদিকে মানবেতর জীবন ও অন্যদিকে আইনী যুদ্ধ শেষে গত ২১ সেপ্টেম্বর মামলা থেকে খালস পান তিনি। এতে সত্যের জয় হয়েছে, আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছেন এবং পরিবারের মুখে হাসি ফুটেছে বলে জানান তিনি। 
খাদ্য পরিদর্শক ইলিয়াস মোড়েলগঞ্জ থানার পশ্চিম সরাইল গ্রামের আঃ কাদের বিশ্বাসের ছেলে। ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি তৎকালীন সহকারী পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনার মোঃ শাওন মিয়ার দায়েরকৃত মামলায় ১ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। ডুমুরিয়ার আঠার মাইল এলাকার জামান অটো রাইস মিল মালিক মোঃ কামরুজ্জামান ব্যক্তিগত ক্ষোভে ঘুষ প্রদানের নামে দুদকের জালে তাকে ফাঁসানো হয়। তিনি ও তার সহকারীরা বলেন, প্রকৃত ঘটনা ছিল তৎকালীন খাদ্য গুদামে সংস্কার কাজ চলমান থাকায় মালবাহী ট্রাক গুদামে প্রবেশের উপায় ছিল না। যে কারণে বেশ দূরত্ব রাস্তা থেকে মালামাল বহনের ফলে লেবার বিল বেড়ে যায় এবং মিল মালিক কামরুজ্জামানের নিকট শ্রমিকের লক্ষাধিক টাকা পাওয়া হয়। কিন্তু তিনি ওই টাকা না দিতে নানান তালবাহানা শুরু করেন। এনিয়ে লেবার, খাদ্য পরিদর্শক ও মিল মালিকের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও মনমালিন্য সৃষ্টি হয়। উপায়ান্তু না পেয়ে শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করে। এনিয়ে পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশিত হয়। তারই জের ধরে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন মিল মালিক। একপর্যায়ে শ্রমিকদের পাওনা টাকা দিতে এসে সেটিকে ঘুষের টাকা আখ্যায়িত করে দুদকের জালে ফাঁসানো হয় তাকে। বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন এমপি ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুজিত কুমার মুখার্জি প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে জোর সুপারিশ করেন তার পক্ষে। সত্য চিরদিনই সত্য, সেটাই আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। বেখসুর খালাস পেয়েছেন তিনি। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ