খুলনা | শনিবার | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফকিরহাটের পিলজংগে ব্রিটিশ আমলের কাদা-মাটির রাস্তায় চরম দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার

চুলকাঠি (বাগেরহাট) প্রতিনিধি |
১১:৪৮ পি.এম | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাগেরহাটের ফকিরহাটের পিলজংগ ইউনিয়নের বিশ্বরোড সংলগ্ন ব্রিটিশ আমলের একটি জনবহুল গুরুত্বপূর্ণ কাদা-মাটির রাস্তা দীর্ঘ কয়েকযুগেও মেরামত বা পাকাকরণ করা হয়নি। যে কারণে ঐ রাস্তার দুই পাশে বসবাসরত শতাধিক পরিবারসহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে। এঅবস্থায় ব্রিটিশ আমলের ঐ কাদা-মাটির রাস্তাটি মাটি দিয়ে ভরাট করে তা পাকাকরণের জন্য স্থানীয় এলাকাবাসি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, পিলজংগ ইউনিয়নের টাউন নওয়াপাড়া মোড়ের (বিশ্বরোড) পূর্বপার্র্শ্বে অথাৎ স্কুল শিক্ষক সুপ্রভাত চক্রবর্তীর বাড়ির পাশ দিয়ে যে আধা কিলোমিটার কাচা রাস্তাটি মোঃ আবু তাহেরের বাড়ির সামনে দিয়ে নবনির্মিত নতুন পাকা রাস্তায় গিয়ে মিশেছে। সেই রাস্তাটির দুই পাশের বেশ কয়েকটি পরিবার বসবাস করেন। ঐ পরিবারগুলোর চলাচলে এই একটি মাত্র রাস্তায় ব্যবহার করতে হয়। সেই ব্রিটিশ আমলের সরকারি রাস্তাটি দীর্ঘ কয়েক যুগেও এক ঝুড়ি মাটি ফেলেও ভরাট বা মেরামত করা হয়নি। যে কারণে বৃষ্টি মৌসুমে হাঁটু সমান জল কাদা ভেঙে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা স্কুল ও কলেজে যাতায়াত করে থাকেন।  
মোঃ নুর হোসেন সাফা (৭৫), মোজাহারুল ইসলাম (৭২), সালেহা বেগম (৬৫) ও ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি শেখ আমীরুজ্জামান আলেপসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, এই রাস্তাটি এতদা অঞ্চলের সবচেয়ে বেশি পুরাতন ও ব্রিটিশ আমলের হলেও একঝুঁটি মাটি ফেলেও কেউ সহযোগিতা করেনি। যে কারণে কোমলমতি শিশুরা হাঁটু সামান জল কাদা ভেঙে মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে হচ্ছে। 
ফরিদা ইয়াসমিন, নুর জাহান বেগম, শামীমা আক্তার, ফরিদা বেগম ও আমেনা বেগমসহ একাধিক গৃহবধূ বলেন, রাস্তাটির এমন করুন অবস্থা যে কোন রুগী চরম অসুস্থ হলেও তাঁকে হাসপাতালে নেওয়াও অসম্ভব হয়ে পড়ে। ৬ফুট চওড়া এবং আধাকিলোমিটার লম্বা এই কাদা-মাটির রাস্তাটি দিয়ে কোন ক্রমেই চলাচল করা যায় না। এ বিষয়টি তাঁরা বিগত দিনে বারবার উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে অবহিত করলেও তাঁরা তাতে কোন কর্তপাত করেনি। যে কারণে এক প্রকার বাধ্য হয়েই ঐ কাদা-মাটির রাস্তা দিয়ে চলচলা করতে বাধ্য হচ্ছেন। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁরা স্থানীয় সরকার বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ