খুলনা | সোমবার | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার ঠেকাতে খুকৃবিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:৩৩ এ.এম | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ক্যাম্পাস পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে গুরুত্ব ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার  রোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১ ও অস্থায়ী ক্যাম্পাস-২-এ পৃথকভাবে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
রোববার বেলা ১১টায় অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১ এবং দুপুর ১২টায় অস্থায়ী ক্যাম্পাস-২-এ আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার। তিনি নিজেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পুরো অভিযানে সরাসরি নেতৃত্ব দেন। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ছায়াডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, “খুলনাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গু ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছে গেছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের তিল ধারণেরও জায়গা নেই। ডেঙ্গুতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও  কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অপরিহার্য।”
তিনি আরও বলেন, “ইউনিভার্সিটি টিচার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর নির্দেশনার পাশাপাশি নিজেদের ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখার জন্য আমরা এ কার্যক্রম শুরু করেছি।”
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। এ জন্য কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকার আহবান জানানো হয়েছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ