খুলনা | মঙ্গলবার | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সাবেক এমপির বাসা থেকে গ্রেপ্তার স্বেচ্ছাসেবক-যুবলীগ-ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মী রিমান্ডে

খবর প্রতিবেদন |
০৬:২১ পি.এম | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

বরগুনা-২ আসনের সাবেক এমপি মো. শওকত হাসানুর রহমান রিমনের উত্তরার বাসা থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মীকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ রিমান্ডে নেওয়ার এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন—মো. ইয়াকুব হোসাইন রাজিব, আরাফাত মিয়া, রিফাত হাওলাদার, হৃদয় হাসান, ফাহিম, রাজিব হোসেন রানা, মো. ফিরোজ, মো. আরিফ, মো. ওমর ফারুক, আব্দুল্লাহ আল আমান, সোহানুর হোসেন শাহিন, মো. হাসিব, ফারজানা ও হাসিব মিয়া। এদের মধ্যে ফারজানার একদিন এবং অন্য ১৪ জনের প্রত্যেককে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৫ জনকে বিকেলে আদালতে হাজির করা হয়।

এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই ইকবাল হোসেন তাঁদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৭ নম্বর সেক্টরের বরগুনা-২ আসনের সাবেক এমপি শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে রাষ্ট্র বিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।

এই সংবাদ পেয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের আটক করে। এ সময় অজ্ঞাত পরিচয় ২০ থেকে ২২ জন আসামি কৌশলে পালিয়ে যান। তল্লাশি করে রুমের টেবিলের ড্রায়ারের ভেতর থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিরা ইউনিয়ন কমিটির পদপ্রার্থী বিশ জনের নাম ও জীবন বৃত্তান্ত লেখা ২০টি পাতা জব্দ করা হয়। প্রত্যেক পাতার ডান পাশের কর্নারে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু লেখা আছে।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন, ঘটনার ম‚ল হোতা ও নেতৃত্ব দানকারীসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের নিমিত্তে আসামিদের ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ