খুলনা | বুধবার | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসলায়েলগামী বিমান নামল সৌদিতে

এক পাইলট আরেকজনকে করেন ছুরিকাঘাত, বিমানে থাকা অন্য দুই পাইলট করান অবতরণ

খবর প্রতিবেদন |
০৬:৩৭ পি.এম | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী একটি বিমান সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করেছে। জানা গেছে, বিমানটি মাত্র ২ মিনিটের মধ্যে ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। ওই সময় বিমানের ভেতর থাকা যাত্রীরা ভেবেছিলেন, হয়ত যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন পাইলটরা।

তবে এখন জানা যাচ্ছে, ফ্লাই দুবাইয়ের ওই বিমানটির ভেতর দুই পাইলটের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে এক পাইলট আরেক পাইলটকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ছুরির আঘাতটি এতটাই বড় ছিল যে, পাইলটের পরিহিত শার্ট রক্তে ভিজে যায়।

তবে ওই বিমানের যাত্রীদের ভাগ্য ভালো থাকায় তারা নিশ্চিত মৃত্যু থেকে বেঁচে গেছেন।

সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টকে বিমানটির এক যাত্রী জানিয়েছেন, যখন দুই পাইলটের মধ্যে ঝামেলা চলছিল এবং বিমানটি খুবই দ্রুত নিচে নেমে আসছিল, তখন ওই বিমানের যাত্রীদের আসনে দুজন পাইলট ছিলেন। তারাই পরবর্তীতে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এটি সৌদির তাবুবে গিয়ে জরুরি অবতরণ করান।

ওই যাত্রী বলেছেন, বিমানের হামলাকারী পাইলটকে সামনে থাকা যাত্রীরা নিবৃত করেন এবং তাকে ককপিট থেকে বের করে নিয়ে আসেন। ওই সময় বিমানের পেছনে দুজন পাইলট বসে ছিলেন। আমি চিৎকার করে তাদের দৌড়ে গিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিতে বলি।

এছাড়া আহত পাইলটকে বিমানে থাকা এক ডেন্টিস্ট জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, পাইলটদের হাতাহাতির মধ্যেই বিমানটি থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে জরুরি সংকেত ‘৭৭০০’ পাঠানো হয়। সাধারণত ছিনতাইয়ের শিকার হলে হলে এমন সংকেত পাঠানো হয়  বিমান থেকে।

সংকেত পাঠানোর পর বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়। তবে পরে জানা যায়, ছিনতাই সংক্রান্ত কোনো ঘটনা ঘটেনি।

সংকেত পাঠানোর পর গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিমানটি। তাবুক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে বিমানটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং যাত্রীরাও সবাই নিরাপদ আছেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ