খুলনা | শনিবার | ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কেকেবিএইউতে শরৎকালীন ফল উৎসব ও রম্য বিতর্ক

খবর বিজ্ঞপ্তি |
১২:৩৩ এ.এম | ০৩ অক্টোবর ২০২৬


খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শরৎকালীন ফল উৎসব ও ফল নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ইনফরমেটিকা ক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে এ আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, ফলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সৃজনশীলতা ও বিতর্কচর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়। উৎসবে বিভিন্ন মৌসুমি ও দেশীয় ফলের সমারোহে লাইব্রেরি প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফল নিয়ে ব্যতিক্রমী রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এতে কাঁঠাল, পেঁপে, পেয়ারা, কলা, তরমুজ ও আমÑএই ছয়টি ফলের গুণাগুণ, পুষ্টিমান ও জনপ্রিয়তা তুলে ধরে যুক্তি ও হাস্যরসের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা দর্শকদের আনন্দ দেয়। 
শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা ও যুক্তিবোধ বিকাশের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি দেশীয় ফল ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কর্মকান্ডের সম্পৃক্ত করে একটি প্রাণবন্ত বিশ্ববিদ্যালয়-সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও বিতর্কচর্চায় উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান ইনফরমেটিকা ক্লাবের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বির্তক অনুষ্ঠানের প্রধান বিচারক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুজ্জামান। 
বিচারক হিসেবে আরও দায়িত্ব পালন করেন আইএসএলএম বিভাগের প্রভাষক আহসান উল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সেকশন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন একই বিভাগের প্রভাষক মোঃ নাজিম। রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতায় কাঁঠাল আপা হিসেবে শ্রেয়া সর্দার চ্যাম্পিয়ন হয়। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশ গ্রহণ ও উপস্থিতিতে বির্তক প্রতিযোগিতা ও ফল উৎসব উৎসবমুখর ছিলো। এ উৎসবে পেয়ারা, জাম্বুরা, আমড়া, জলপাই, কলা, আনারস, তরমুজ, পেপে, আম, ড্রাগন, মালটা ও কদবেলসহ দেশীয় নানা ফলের সমাহার ছিলো। অনুষ্ঠানে শেষে সবাই ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ