খুলনা | রবিবার | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর কন্যার জাতিসংঘে চাকরিতে সরকারের ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই : মাহদী আমিন

খবর প্রতিবেদন |
০৫:১৬ পি.এম | ০৪ অক্টোবর ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জাতিসংঘে চাকরির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ দাবি করেন তিনি।

জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ছড়ানোর প্রসঙ্গ তুলে মাহদী আমিন বলেন, তিনি (জাইমা রহমান) জাতিসংঘে নিজের যোগ্যতায় ও নিজ মেধার ভিত্তিতে একটি চাকরি পেয়েছেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে চাকরিটি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, উনি নিজের যোগ্যতায়, নিজ মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছেন, যার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও বলা হচ্ছে যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে এই চাকরি দেওয়া হয়েছে। সেটাও আরেকটা মিথ্যাচার।

মাহদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমান যে পদে আবেদন করেছেন সেটি জাতিসংঘের পি-৩ পর্যায়ের পেশাগত পদ। এ ধরনের পদে সাধারণত পাঁচ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের পি-১ হচ্ছে প্রফেশনাল লেভেল-১, যা নতুন গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ের চাকরি। পি-২ পর্যায়ে দুই বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়। এরপর পি-৩ পর্যায়ে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। এর ওপরে পি-৪, পি-৫ এবং আরও উচ্চপর্যায়ের পদ রয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, জাইমা রহমানের পেশাগত প্রোফাইলের সঙ্গে পি-৩ পর্যায়ের পদটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার নিয়োগ প্রক্রিয়া, অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং আর্থিক সুবিধা সবকিছু জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

জাইমা রহমানের নিয়োগে বাংলাদেশ সরকারের কোনো ধরনের প্রভাব বা সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে মাহদী আমিন বলেন, জাতিসংঘের নির্বাহী কার্যালয়ের অধীন মানবসম্পদ টিমই নিয়োগ ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের রুলস, রেগুলেশনস এবং প্রসিডিউর অনুযায়ী যে এক্সিকিউটিভ অফিস রয়েছে, তার অধীনে যে হিউম্যান রিসোর্স টিম রয়েছে, তারাই সব ধরনের রিক্রুটমেন্ট এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে থাকে। এ ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।

জাইমা রহমানের নিয়োগের বিষয়টি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে যাচাই করা যাবে বলেও উলে­খ করেন তিনি।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ