খুলনা | সোমবার | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে আসতে তরুণদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাসস |
০৫:৩৯ পি.এম | ০৫ অক্টোবর ২০২৬


রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তরুণদের ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস-কে এ তথ্য জানান।

এসময় রাষ্ট্রপতি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থা দ্রুত গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উদীয়মান আধুনিক প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় তরুণ উদ্যোক্তাদের বেশি সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে ব্যাংক সুদের হার কমানোর ওপর জোর দেন তিনি।

এসময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এতে রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলের মতো পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে শিল্পায়ন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছিল। নতুন কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল, যা ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত আসন্ন বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

ডিসিসিআই প্রতিনিধিরা জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

এসময় তারা সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে আগামী দুই বছরের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের সমস্যাগুলো সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে বিভিন্ন দাবি, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের জন্য মানুষ বারবার সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্র অর্জিত হওয়ার পর তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা ব্যর্থ হই। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের সুবিধার অপব্যবহার করে।

তিনি আরো বলেন, বিগত সময়ে লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারণে দেশ পিছিয়ে পড়েছিল এবং ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছিল। ব্যক্তিগত লোভ ও লালসার কারণে ব্যাংকিং খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

এসময় রাষ্ট্রপতি সামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কাজে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং ডিসিসিআই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ