খুলনা | শুক্রবার | ০৯ অক্টোবর ২০২৬ | ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিযোগকারীকেই ধরে দিতে হবে মিরাজকে দাবি পুলিশের

পুরাতন মোবাইল ফোন কিনে ডাকাতি মামলার আসামি!

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৩৩ এ.এম | ০৯ অক্টোবর ২০২৬


মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে গতকাল খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নগরীর নাজির ঘাটের মোহাম্মদ লতিফ হাওলাদার। 
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার ভাই শিমুল হাওলাদার একজন ভ্যান চালক। কিছুদিন আগে নগরীর বাগমারার ছফেদা তলার মোহাম্মদ মিরাজের নিকট থেকে ৩ হাজার টাকায় একটি পুরাতন স্যামসাং মোবাইল ফোন কেনে। এর কিছুদিন পরে এসআরবি-৬ থেকে তাকে ফোন দিয়ে তাদের সাথে দেখা করতে বলে কিন্তু শিমুল ভয় পেয়ে তাদের সাথে দেখা করেননি। এরপর গত ১৯ সেপ্টেম্বর এসআরবি-৬ তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে মোবাইল ফোন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় যে-সে ফোনটি বাগমারার মিরাজের নিকট থেকে কিনেছে, কিন্তু র‌্যাব মিরাজকে না খুঁজে শিমুলকে নগরীর হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করে। পরে হরিণটানা থানা পিরোজপুরের পুলিশকে খবর দেয়। শিমুলকে পিরোজপুরে নিয়ে যায় পুলিশ এবং একটি ডাকাতি মামলার এক নম্বর আসামি করে আদালতে চালান দিলে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে আদালত।
লতিফ বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে নগরীর হরিণটানা থানা থেকে বলা হয়, গত ২৮ আগস্ট পিরোজপুরের ব্রাহ্মণকাঠী বিদ্যালয়ের পাশের মিকচান নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ডাকাতি হয়, তাদের বাড়ি থেকে ডাকাতরা যে মালামাল নিয়ে যায়, তার মধ্যে একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন ছিলো, যেটি লতিফের ভাই শিমুলের কাছে পাওয়া গেছে। তিনি (লতিফ) তখন হরিণটানা থানা কর্তৃপক্ষকে জানায়, যে শিমুল ফোনটি বাগমারার মিরাজের নিকট থেকে কিনেছে। থানা কর্তৃপক্ষকে মিরাজের ঠিকানাও সরবরাহ করেন এবং বলেন আপনারা মিরাজকে ধরেন। তবে  হরিণটানা থানা পলিশের দাবি, অভিযোগকারীকেই আসামি ধরে আনতে হবে, আমরা পারবো না।
লতিফের দাবি, তার ভাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ, তার অনুপস্থিতিতে পরিবারটি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি দেখেন এবং সুবিচারের দাবি জানান।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ