খুলনা | বুধবার | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বাগেরহাটে এনাবেল প্রকল্প: ৩ বছরে উপকৃত হবেন উপকূলের ৬৪ হাজার মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট |
০৫:২৩ পি.এম | ১৪ অক্টোবর ২০২৬


বাগেরহাটে স্থানীয় পর্যায়ে সিভিল সোসাইটি সংস্থা (সিএসও)গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক স্বীকৃতি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় চাহিদা ভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহন ও বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্কিং ও সহায়ক পরিবেশ তৈরীর মাধ্যমে নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে চাহিদা উপস্থাপনের জন্য এনাবেল প্রকল্প কাজ করছে। সুইডেনের সহায়তায় হেলভেটাস  বাংলাদেশ এমপাওয়ারিং নেটওয়ার্ক ফর এডভোকেসি এন্ড বেটার লোকাল এনাবেলিং এনভায়রনমেন্ট (এনাবেল) নামের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাগেরহাটের মোংলা, শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ এবং খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও দাকোপ উপজেলায় কাজ করবে এই প্রকল্পটি। এই সময়ে এই অঞ্চলের সিএসও গুলোর সক্ষামতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় ১৪ কোটি ৫ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে। যার সরাসরি উপকারভোগী হবে ৬৩ হাজার ৮২৫ জন এবং পরোক্ষ উপকারভোগী হবে ২ লক্ষ ৫০ হাজার জন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায়, বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস, জেলা প্রানি সম্পদক কর্মকর্তা মোঃ সাহেব আলী, জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান, সজাম সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের, স্থানীয় সরকারি বিভাগ-এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনজুর রশীদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষ, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনু, সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটন, কোডেকের ফোকাল পার্সন মাহবুবুর রহমান সুজন, হেলভটাস বাংলাদেশ সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার ঘোষ, ইয়াং প্রফেশনাল শ্রাবনি ইসলাম, কাজী আরাফাতুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসানসহ মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা ও মোংলা উপজেলার বিভিন্ন সিএসও সংগঠনের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহন করেন।

বক্তারা বলেন, বাগেরহাট ও খুলনা দেশের অন্যতম দূর্যোগ প্রবন এলাকা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুকিপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুকি মোকাবেলায় এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। স্থানীয় সিএসওদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা মানেই প্রান্তিক মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া। প্রকল্পের লক্ষ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সঠিকভাবে কাজ করার আহবান জানান বক্তারা।  

প্রিন্ট

আরও সংবাদ