খুলনা | শুক্রবার | ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

ডুমুরিয়ার ৯নং সাহস ইউনিয়ন

আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে আলোচনা জনসমর্থনে এগিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০২:০৭ এ.এম | ১৬ অক্টোবর ২০২৬


খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ৯নং সাহস ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় চলছে কথাবার্তা। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আলোচনায় এসেছেন ৯নং সাহস ইউনিয়নের গজেন্দ্রপুর শেখ বাড়ি ছেলে স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের পরিচালক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও যুবনেতা মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁকে ঘিরে স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে প্রত্যাশা ও আগ্রহ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মোস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। অসহায় ও বয়স্ক মানুষ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তায় তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন অনেকে। তাঁদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে প্রত্যাশা সাহস ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বেকারত্ব কমানো, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মাদকবিরোধী সামাজিক উদ্যোগ জোরদার করা তাঁদের অন্যতম দাবি। পাশাপাশি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে আরও সহজলভ্য করার প্রত্যাশাও রয়েছে তাঁদের। এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করেন তাঁরা স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনে যিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন, তিনি যেন দল-মত ও শ্রেণিপেশার ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য কাজ করেন। বিশেষ করে তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, সামাজিক অবক্ষয় রোধ এবং এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তাঁরা।
জনসেবার মাধ্যমে মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় : চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিনি ৯ নম্বর সাহস ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সেবা করতে চান। জনগণের সমর্থনে নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহণ এবং তরুণ সমাজকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করবেন। তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি আদর্শ ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য। ইউনিয়নের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নাগরিক সেবা সহজণর করার বিষয়েও তিনি কাজ করতে চান বলে জানান।
প্রত্যাশা পূরণই হবে বড় চ্যালেঞ্জ সাহস ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্র“তির কথা সামনে আসছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে। তাঁদের মতে, জনপ্রতিনিধির সাফল্য কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্র“তিতে নয়, বরং দায়িত্ব পালনের সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকা, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং এলাকার বাস্তব সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার মধ্য দিয়েই মূল্যায়িত হবে।
সব মিলিয়ে ৯ নম্বর সাহস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা বাড়ছে। মোস্তাফিজুর রহমান রানা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করলে তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনা, জনসম্পৃক্ততা এবং উন্নয়ন ভাবনা নির্বাচনী আলোচনায় স্থান পাবে। তবে শেষ পর্যন্ত ইউনিয়নের নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও ভোটারদের রায়ের মধ্য দিয়ে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ