খুলনা | রবিবার | ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | ২ কার্তিক ১৪৩৩

খুলনা জেলা প্রশাসনের আইসিটি কেন্দ্রের সার্ভার রুমে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম

নিজস্ব প্রতিবেদক |
১১:০৯ পি.এম | ১৭ অক্টোবর ২০২৬


খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় আইসিটি কেন্দ্রের সার্ভার রুমে আগুনে এসি, ফ্যান, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে কেউ হতাহত হননি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত আইসিটি কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়ে কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইসিটি কেন্দ্রের একটি কক্ষে আগুন ও ঘন ধোঁয়া দেখতে পান। কক্ষটি তালাবদ্ধ থাকায় দরজার তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন তাঁরা। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে পুনরায় আগুন লাগার আশঙ্কা এড়াতে কক্ষের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। অগ্নিকাণ্ডে কক্ষের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), ফ্যান, ব্যাটারি, আসবাব ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের কারণে ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র বা মূল্যবান কোনো সামগ্রী পুড়ে গেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে সম্পূর্ণ নির্বাপন হয় সন্ধ্যা ৭টার দিকে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, খুলনার সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুদ সরদার জানান, আগুনের সূত্রপাতের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট, মশার কয়েল কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখতে হবে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কক্ষের ভেতরে কেউ ছিলেন কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ