খুলনা | রবিবার | ২৫ অক্টোবর ২০২৬ | ১০ কার্তিক ১৪৩৩

অবশেষে সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর দাফন সম্পন্ন

খবর প্রতিবেদন |
০২:০৬ পি.এম | ২৫ অক্টোবর ২০২৬


অবশেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে শনিবার দুপুর ১২টার পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিক পশারীর মরদেহ আসলে জেলা জামায়াতের নেতাকর্মী ও  স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে মানিক পশারীর লাশসহ স্বজনরা। পরে পুলিশের সহায়তায় লাশ সরিয়ে নেয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকেল ৫টার দিকে গার্ড অফ অনার শেষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাশ ঘিরে রাখে সদর থানা পুলিশ।

পরে রাত ১টার দিকে সদর থানা পুলিশ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় লাশ বাড়িতে পৌঁছে। রাত ২টার দিকে দাফন কাজ সম্পন্ন। এ সময় মানিক পশারীর স্ত্রী সন্তানসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

পিরোজপুর জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিক পশারীর লাশ দাফনে পিরোজপুর জেলা জামাতের নেতারা এবং অঙ্গ সংগঠনের কোনো নেতা কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা লাশের রাজনীতি করে না। তাই পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে পুরোপুরি সহায়তা করে লাশ দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী ছিলেন। ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে তিনি যশোর ও গোপালগঞ্জে পলাতক ছিলেন। ২ মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এলাকায় মেয়ের জামাতার বাড়িতে মারা যান তিনি মারা যান।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ