খুলনা | সোমবার | ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শাদাবের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
১২:৩২ এ.এম | ২৬ অক্টোবর ২০২৬

 

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে ৪২৯ রান করেও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ২৪১ রান করে ইংলিশরা। এরপর ১৫৪ রানের মধ্যে পাকিস্তানের ৯ উইকেট তুলে নিয়েও জিততে পারেনি হ্যারি ব্রুকের দল। অপরাজিত সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন শাদাব খান। দশম উইকেটে তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে ১ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন হারিস রউফ। এই জয়ের ফলে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান।

মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৩১ রানেই তারা ৩ উইকেট হারায়। চতুর্থ উইকেটে ৪৩ রান যোগ করেন সাদ বেগ ও সালমান আলী আঘা। সাদ ৩২ রান করেন। সালমান ফিরেছেন ২৬ রান করে। এরপর পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত টেনে নেন শাদাব ও হারিস রউফ। এই দুজনের লড়াইয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগায় পাকিস্তান।

শাদাব ৪৭তম ওভারে গাস অ্যাটকিনসনকে চার মেরে ৯২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলেই চার মেরে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন হারিস। দশম উইকেটে তারা যোগ করেছেন ৮৯ রান। আন্তর্জাতিক ওয়ানডের ইতিহাসে জেতা ম্যাচে দশম উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড দশম উইকেটে। শাদাব ৯৬ বলে ১১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর ১৯ বলে ৭ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন হারিস।

এর আগে এই ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান দলের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। পাওয়ার প্লেতেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামায় পাকিস্তান। শুরুতেই ৪ রান করা টম বেন্টন ও ৫ রান করা জো রুটকে ফেরান আফ্রিদি। আর হ্যারি ব্রুক মাত্র ১ রান করে রান আউটের শিকার হন।

তৃতীয় উইকেটে ৩৩ রান যোগ করেন বেন ডাকেট ও জর্ডান কক্স। তবে কক্স বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ডাকেটকে। ৬ রান করেই আউট হন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। হারিস রউফের বলে কক্স ক্যাচ দেন স্লিপে বাবরের হাতে। চতুর্থ উইকেটে ডাকেট ও স্যাম কারান মিলে ইংল্যান্ডের হাল ধরেন।

এই দুজনে মিলে যোগ করেন ৯৩ রান। কারান ৫২ বলে ৪২ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেছেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলা ডাকেট শেষ পর্যন্ত আউট হয়েছেন ১১১ বলে ১০৫ রানের ইনিংস খেলে। তার ইনিংস জুড়ে ছিল ২টি ছক্কা ও ১০টি চারের মার। শেষদিকে গাস অ্যাটকিনসন ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি।

অ্যাটকিনসন অপরাজিত থাকেন ২৮ বলে ৩৬ রান করে। শেষ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ ২৪১ রানে নেন অ্যাটকিনসন ও হেনরি ক্রোকম্ব। শেষ উইকেট হিসেবে ৮ রান করে আউট হন ক্রোকম্ব। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে একাই ৪ উইকেট নেন আফ্রিদি। পাশাপাশি দুটি করে উইকেট পেয়েছেন অভিষিক্ত রাজাউল­াহ ও আরাফাত মিনহাস। একটি উইকেট পেয়েছেন পেসার হারিস রউফ।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ