খুলনা | বুধবার | ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

অনুমতি ছাড়া ছবি ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ: অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ

খবর বিনোদন |
০২:২৬ পি.এম | ২৮ অক্টোবর ২০২৬


অনুমতি ছাড়া ছবি প্রকাশ ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ফ্যাশন ডিজাইনার ও ভেলমেট-ইয়ুথ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সানায়া আনাম ওয়াফিকা চৌধুরীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় ডাকযোগে এই আইনি নোটিশ পাঠান।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নোটিশ পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে তিশার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বাদী সংবলিত সব ছবি ও বক্তব্য সরিয়ে ফেলতে এবং ভবিষ্যতে বাদীর কোনো ছবি ফেসবুক পেজে প্রকাশ না করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিশার বিরুদ্ধে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও মানহানিসহ সাইবার ট্রাইব্যুনাল বা যেকোনো আদালতে আইনি প্রতিকার চাওয়া হবে।

আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, শাড়িকাণ্ডের ঘটনায় বাদী তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন; যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশা গত ২৭ অক্টোবর তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ঞধহলরহ ঞরংযধ থেকে বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন। এছাড়া বিবাদী তানজিন নাহার তিশা দেশের গণমাধ্যমকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।

নোটিশে আরও উলে­খ করা হয়, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর বিবাদী তানজিন নাহার তিশা বাদীকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ছবি ভাইরাল করার হুমকি দেন। সেখানে তিশা বলেছিলেন, ফেমাস হইলে বইলো, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবো নে। বাদীর দাবি, তিশা সেই হুমকির ধারাবাহিকতায় তার ছবি ফেসবুকে আপলোড করে সম্মান হানি ঘটিয়ে চলেছেন।

নোটিশে বলা হয়, তিশা ফেসবুকে লিখেছিলেন, এই দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে ঘৃণা কেন। অথচ প্রকৃতপক্ষে বাদী ও ছবিতে থাকা অপর নারী কখনোই বোন নন। তিশা ওই নারীকে তার বোন বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব জায়গায় ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন। প্রকৃতপক্ষে বাদী একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এবং অপরজন একজন নারী উদ্যোক্তা। পেশাগত পরিচয়ের সূত্রেই তাদের মধ্যে পরিচয় রয়েছে। তিশা এই সম্পর্ককে নেতিবাচকভাবে প্রচার করে বাদীর মানহানি ঘটাচ্ছেন।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, তিশা তার ফেসবুক পোস্টে দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর (মাইনর) ছবি প্রকাশ করেছেন। এসব ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে বাদী কিংবা শিশুদের পরিবারের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি; যা সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ