খুলনা | শনিবার | ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

গবেষণার অগ্রগতি ছাড়া মৎস্য খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয় : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব

পাইকগাছা প্রতিনিধি |
১২:১৮ এ.এম | ৩১ অক্টোবর ২০২৬


দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে গবেষণার অগ্রগতির কোনো বিকল্প নেই। সরকার গবেষণার কার্যক্রম জোরদার করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিজ্ঞানীদের প্রতি আহŸান জানান।
শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের খুলনার পাইকগাছাস্থ লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সীমিত সম্পদের শতভাগ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে সচিব বলেন, সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অর্থ অপচয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গবেষণা প্রকল্পের একটি টাকাও যেন অপচয় না হয় এবং তার শতভাগ সদ্ব্যবহার হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখার নির্দেশ দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে এবং পরকালেও জবাবদিহিতার দায় রয়েছে।
বর্তমান বেতন স্কেলকে সরকারের সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগের তুলনায় দ্বিগুণ বেতন স্কেল দিয়ে সরকার যে সুযোগ সৃষ্টি করেছে, তার প্রতিদান স্বরূপ আমাদের সকলের উচিত আরও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নেওয়া।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ লতিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন লোনাপানি কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আজহার আলী। 
সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম বলেন, চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে দেশে ‘মেরিকালচার’ বা সামুদ্রিক মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মন্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ পার্থ প্রতিম রায়।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ