খুলনা | শনিবার | ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসিতে জিপিএ-৫ কমেছে ২৯ হাজার

খবর প্রতিবেদন |
১১:৪৮ এ.এম | ৩১ অক্টোবর ২০২৬

 

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। এবার সারাদেশে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। গত বছর এই সংখ্যাটি ছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।

২০১৬ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৫৮ হাজার ২৭৬ জন। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৭২৬, ২০১৮ সালে ২৯ হাজার ২৬২ এবং ২০১৯ সালে ৪১ হাজার ৮০৭ জন। ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জনে। ২০২১ সালে তা আরও বেড়ে হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন।

২০২২ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ জন। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালে এ সংখ্যা কমে ৯২ হাজার ৫৯৫ জনে দাঁড়ায়। ২০২৪ সালে আবার বেড়ে হয় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। তবে ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।

সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্টের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয়। সব বোর্ডে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ