খুলনা | রবিবার | ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

জনগনের রায়কে অগ্রাহ্য করলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে : জামায়াত আমির

খবর প্রতিবেদন |
০৩:৫৩ পি.এম | ৩১ অক্টোবর ২০২৬

 

আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জে পথসভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এবারই প্রথম জামায়াতে ইসলামী কোন লাংমার্চ গোপালগঞ্জের উপর দিয়ে যাত্রা করলো।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বরে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ পথসভায় জামায়াতে আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার যদি ১ দফা দাবীর উপর সম্মান দেখায়, জনগনের ভোটের ও রায়ের প্রতি সম্মান দেখায় তাহলে সরকার সম্মানীত হবে। যদি জনগনের রায়কে অগ্রাহ্য করে তাহলে সরকার শুধু অপমানিত হবে না, সরকারকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।

আজ শনিবার ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ উপলক্ষে পথসভায় জামায়াত আমীর এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দাবী খুব স্পষ্ট, আমরা জনগনের দাবী নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। আমাদের মুল দাবী হচ্ছে গণমুথী ৭০ ভাগ মানুষ যে রায় দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই দাবী বাস্তবায়ন হলে বাকী ৬ দফাও বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। এ সময় তিনি গোপালগঞ্জবাসীর প্রতি ১১ দলীয় জোটের সাত দফা দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের আহবান জানান।

এর আগে লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে হাজার হাজার নারী পুরুষ লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানায়। পথসভা শেষে লংমার্চের বহর বাগেরহাট হয়ে খুলনার উদ্দেশে যাত্রা করে।

৭ দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জ জেলায় পৌঁছায়। বহরটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াড়া হয়ে গোপালগঞ্জ শহর দিয়ে বাগেরহাট পৌঁছায়। এ লংমার্চে কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানাতে মোড়ে মোড়ে জড়ো হয়েছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

লংমার্চকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মহাসড়কে টহল জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ শুরু হয়। এর আগে শরীয়তপুরের নাওডোবায়ও পথসভা করেন জোটের নেতারা।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ