খুলনা | রবিবার | ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

নগরীর ফুলবাড়িগেটে ককটেল বিস্ফোরণ নিন্দা জামায়াতে ইসলামীর

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৫৪ এ.এম | ০১ নভেম্বর ২০২৬


নগরীর ফুলবাড়িগেট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কোনো হতাহাতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি অবিস্ফোরিত ও একটি বিস্ফোরিত ককটেলের কিছু অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, খুলনার শিববাড়ি মোড় থেকে ১১ দলীয় ঐক্যেজোটের পথসভা শেষ করে নেতৃবৃন্দ গাড়ি বহর নিয়ে ফুলতলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। গাড়ি বহর ফুলবাড়িগেট এলাকায় পৌঁছানোর প্রায় আধাঘণ্টা আগে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং বিস্ফোরিত ককটেলের কিছু অংশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা নেওয়া হয়।
খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবুল বাসার বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফুলবাড়িগেট শহীদ মিনার রোডে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে ঘটনার পর থেকে রাস্তা ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হয়। কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তা শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
নিন্দা ও প্রতিবাদ জামায়াতের : নগরীর ফুলবাড়িগেটে ১১ দলীয় ঐক্যের শান্তিপূর্ণ লংমার্চের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলা ও নাশকতা সৃষ্টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল নেতৃবৃন্দ। 
বিবৃতিদাতারা হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি, সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান এমপি, মাস্টার শফিকুল আলম, মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি। অন্যরূপ বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি এড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ফুলতলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা শান্তিপূর্ণ লংমার্চের গাড়িবহরে ফুলবাড়িগেট পৌঁছানোর আগেই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। হেলমেট পরা একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী পর পর চার-পাঁচটি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ককটেল বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার তাগিদে সবাই ছোটাছুটি শুরু করে। এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই ফুলবাড়িগেটে লংমার্চকে স্বাগত জানাতে স্থানীয় জনগণের নির্মিত একটি তোরণে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতকারীরা।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ