খুলনা | রবিবার | ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন

নগরায়নের কারণে অনেক পুকুর আমরা হারিয়ে ফেলেছি : কেসিসি প্রশাসক

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:০২ এ.এম | ০১ নভেম্বর ২০২৬


নগরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী খুলনা মহানগরীকে একটি সুন্দর শহরে পরিণত করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরো বলেন, যত্রতত্র আবর্জনা থাকবে না, মশা থাকবে না, মশাবাহিত রোগ থাকবে না, সড়কগুলো যানজট ও দখলমুক্ত থাকবে এমন একটি উন্মুক্ত পরিবেশে নগরবাসী নিরাপদে বসবাস করতে চায়। সেই প্রত্যাশা নিয়েই আমরা কাজ শুরু করেছি।
তিনি গতকাল শনিবার সকালে নগরীর গোবরচাকা তালীমুল মিল্লাত রহমাতিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। প্রতি শনিবার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আওতায় বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি সহযোগিতায় কেসিসি ও হেলদি সিটি ইনিসিয়েটিভ প্রকল্প যৌথভাবে পুকুরটির কচুরিপানা অপসারণ করে ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে। 
প্রধানমন্ত্রী নগরীকে বাসযোগ্য করার নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহরে ছায়াশীতল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্ষা মৌসুমে নগরীতে পঁচিশ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে এবং গাছের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণও করা হচ্ছে। নগরায়নের কারণে অনেক পুকুর আমরা হারিয়ে ফেলেছি। বিদ্যমান পুকুলগুলি ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে। পুকুরটিতে আর যেন কচুরিপানা জন্মাতে না পারে সেজন্য কেসিসি’র উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মোঃ রেজা রশীদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থপনা কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তর-খুলনার উপ-পরিচালক মিহির লাল সরদার, পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা’র বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, হেলদি সিটি ইনিসিয়েটিভ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ আহমেদসহ বিডি-ক্লিনের সদস্য, কেসিসি’র ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  
পরে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর রূপসা মোড় হতে নতুন বাজার মোড় পর্যন্ত পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিদর্শন করেন। বিশ্ব নগর দিবস পালন উপলক্ষে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কেসিসি’র সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সিরাক-বাংলাদেশ এ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করে। 
প্রশাসক সিরাক বাংলাদেশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট তরুণরা এই অভিযানে যুক্ত হওয়ায় অন্যরাও অনুপ্রাণিত হবে বলে উল্লেখ করেন। 
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মোঃ রেজা রশীদ, সমাজসেবক ইউসুফ হারুন আব্দুল্লাহ, সিরাক-বাংলাদেশের ভলান্টিয়ার তানভীর হাসান অর্নব, মোঃ মুজাহিদুর রহমান, আহমেদ আকাশ, তাহসিন হাসান অনিক, মোঃ মিনহাজুল আবেদীন, মোঃ আমিরুল ইসলাম, মোহাঃ রহমাতুল্লাহ, ফয়সাল ইমরান, সুদীপ্ত রায়, নাজমীন খানম ছোঁয়া, ফারিহা ঝিলাম, হালিমাতুস সাদিয়া সুখি, শামিমা সুলতানা, স্নেহা আফরিন বর্ষা, ইভানা হক ইভা, সৌরভ ঘোষ, আয়শা ছিদ্দিকা আনহা, সুমাইয়া শিমু, মুনতাসির হাসান, সাদিয়া আফরিন ছবি, আব্দুল্লাহ আল কাফি মৃদুল, মোসঃ রানী খাতুন, খাদিজা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা ও ফারজানা যুথি এই অভিযানে সরাসরি যুক্ত থেকে অভিযান বাস্তবায়ন করেন।  
অভিযান সমন্বয় করেন সিরাক-বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক অফিসার মোঃ কামরান মিয়া ও প্রজেক্ট অফিসার সুমাইয়া রহমান।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ