খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৬ মে ২০২২ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

মামলার জালে লক্ষাধিক কৃষক তাদের কথা ভাবতে হবে

|
১২:১৬ এ.এম | ১০ মে ২০২২


স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে কৃষির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। একদা খাদ্য ঘাটতির দেশ এখন অনেকটা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু এই খাদ্য যারা উৎপন্ন করেন, সেই কৃষকের জীবনে খুব একটা পরিবর্তন ঘটেনি।
গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, সমঝোতা ও আপসের মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের নির্দেশনা থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করা থামছেই না। এমনকি করোনা মহামারীর সময়ও তাদের বিরুদ্ধে হাজারো মামলা করা হয়েছে। মহামারীর দুই বছরে সরকারি ছয় ব্যাংক মিলে ৭ হাজার ৮০০টি মামলা করেছে। একই সময়ে রেকর্ড সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তিও হয়েছে। এরপরও ২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে কৃষকদের বিরুদ্ধে অনিষ্পন্ন সার্টিফিকেট মামলার সংখ্যা ছিল সোয়া লাখের বেশি। অথচ আমরা দেখেছি, করোনা সংকটের সময়ও কৃষকরা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করে ভালো নজির স্থাপন করেছেন। পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকুল হলে তারা খেলাপি হন না। অনেক সময় কৃষককে ঋণ পেতে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। এ কথা মানতেই হবে, করোনাকালে কৃষকরা দেশবাসীর খাদ্যের জোগান দিয়েছেন। উপক‚লীয় অঞ্চলে আম্পানের থাবা ও দেশের প্রায় অর্ধেক এলাকাজুড়ে দুই দফা বন্যা সত্তে¡ও তারা একদিনও কৃষিপণ্য উৎপাদন বন্ধ রাখেন নি। কৃষকই আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। সরকারের উচিত কৃষকের প্রতি আরও নজর দেওয়া। কেননা তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচার করেন না, সময়মতো ঋণ শোধ করেন। আর যদি কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েন, তা হলে গোটা জাতিকে ভোগাবে।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ