খুলনা | বুধবার | ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ২৯ মাঘ ১৪৩২

নগরীর সোনাডাঙ্গা সংযোগ সড়কের মালিক কে!

নিজস্ব প্রতিবেদক |
১২:৫৭ এ.এম | ১২ জুন ২০২১

সড়ক জুড়ে ধুলা-বালি, কোথাও চোখে মিলবে না বিটুমিনের আস্তারণ। সর্বশেষ গত বছরের বৃষ্টিতে সৃষ্ট গর্তগুলো দিনে দিনে বড় হয়ে রূপ নিয়েছে খানা-খন্দে। নগরী খুলনায় প্রবেশের অন্যতম ব্যস্ততম সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন সংযোগ সড়কটির বর্তমান এমনই হাল। ফলে সড়কটিতে যানবাহন চলছে চরম ঝুঁকি নিয়ে হেলে-দুলে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। 
জানা গেছে, শহরকে স¤প্রসারিত করার লক্ষে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন সংযোগ সড়কটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। দুই দশমিক ৩৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ওই সড়কটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১৮ কোটি টাকা। ২০১১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সড়কটি নির্মাণের জন্য টেন্ডারের আহŸান করলে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজটি পায় ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ডিয়েনকো লিমিটেড। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী ওই বছরই কাজ শুরু করে ২০১৩ সালের ৩০ জুন মাসে নির্মাণ কাজ শেষ করে প্রতিষ্ঠানটি। তবে স্বল্প সময়ের মধেই সড়কটি নষ্ট হয়ে যায়। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। কয়েকবার মেরামত করেও সড়কটি আর ভালো রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বিটুমিন উঠে ছিটকে পড়ছে অন্যত্রে। গত বছরের বৃষ্টিতে সৃষ্ট গর্তগুলো বড় হয়ে খানা-খন্দে তৈরি হয়েছে। সড়ক জুড়ে বিরাজ করছে ধুলা-বালি। ফলে নগরীতে প্রবেশের ব্যস্ততম এই সড়কটিতে স্বাভাবিক যান চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। বাড়ছে যাত্রীদের ভোগান্তি।
আবু হাসানসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী জানান, সড়কটির ময়ূরী ব্রীজ সংলগ্ন দু’পাশে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চালক ও সাধারণ যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এছাড়া ধুলা-বালিতে আশ-পাশের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।
কেডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্বে) মোরতুজা আল মামুন বলেন, কাজ শেষ হওয়ার পর এলজিইডি ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কাছে সড়কটি বুঝে নেয়ার জন্য পত্র দেয়া হয়। কিন্তু কোন সাড়া মেলেনি। সড়কটি রক্ষণাবেক্ষণে ফের চিঠি দেয়া হয়েছে। 
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি শাখা থেকে জানানো হয়, কেডিএ সড়ক বুঝে নেয়ার জন্য চিঠি দেয়। কিন্তু ওই চিঠিতে সড়কের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ উলে­খ নেই। অবৈধ স্থাপনা সম্পর্কেও কিছু বলা হয়নি। ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি। তাই এভাবে সড়কটি বুঝে নেয়া সম্ভব হয়নি।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ