খুলনা | রবিবার | ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

অতিরিক্ত ডলার বিক্রির নির্দেশ, অন্যথায় শাস্তি

খবর প্রতিবেদন |
১০:৪২ পি.এম | ৩১ অগাস্ট ২০২২


নগদ ডলারের সরবরাহ বাড়াতে এবার অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করে দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ কারো কাছে ১০ হাজারের বেশি ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকলে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক অথবা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসী বাংলাদেশি বিদেশ থেকে আনা ১০ হাজার মার্কিন ডলার বা সমমূল্যমানের বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে বা অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখতে পারেন, পরবর্তী বিদেশ যাত্রায় ওই বৈদেশিক মুদ্রা সঙ্গে নিয়েও যেতে পারবেন। তবে ১০ হাজার মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত পরিমাণ আনা বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসার এক মাসের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি বা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখা বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা ধারণ করা ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন এ্যাক্ট, ১৯৪৭’ এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমন বৈদেশিক মুদ্রা থাকলে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যাংকে বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের পর কারও কাছে অতিরিক্ত ডলার পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে চাহিদার চেয়ে ডলার সরবরাহ কম। এ কারণে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকগুলো এলসি খুলতে পারছে না। যেটুকু ইতোমধ্যে খুলেছিল তারও ডলার সংস্থান করতে পারছে না। বিদেশী এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে বেশি দামে ডলার সংগ্রহ করছে। এতেও কুলাতে পারছে না। বাধ্য হয়ে ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে। এ দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু সরকারের প্রয়োজনীয় কেনাকাটার জন্য সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোকে ডলার সরবরাহ করছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমন সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোর কাছে ২৪৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। এর পরেও বাজারে সঙ্কট কাটছে না।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ