খুলনা | বুধবার | ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ২৯ মাঘ ১৪৩২

নারী পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও একাধিক বিয়ের অভিযোগ, মামলা প্রথম স্বামীর

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:০৪ এ.এম | ১৩ জুন ২০২১

খুলনার সাবেক এক নারী পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও একাধিক বিয়ের অভিযোগে মামলা করেছেন তারই প্রথম স্বামী সাবেক পুলিশ কনস্টেবল। তালাক দেয়ার পর তার বাসা থেকে স্বর্ণালঙ্কার, টিভিসহ অন্যান্য মালামাল ও ব্যাংক থেকে নগদ ২৪ লাখ টাকাসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের পর অন্যত্র বিয়েও করেছেন ওই নারী পুলিশ। আফরোজা খাতুন মনি নামের ওই নারী পুলিশ বর্তমানে ঢাকার এন্ট্রি টেরিজম ইউনিটে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদে কর্মরত। স¤প্রতি সাবেক পুলিশ কনস্টেবল প্রথম স্বামী মিরাজ উদ্দিনকে নানা ভাবে হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গত বছরের ২০ জুলাই তার প্রথম স্বামী (সাবেক পুলিশ কনস্টেবল) মিরাজ উদ্দিন বাদী হয়ে খুলনা চীফ মেট্রোপলিট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলাটি খালিশপুর থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। দীর্ঘ তদন্ত শেষে খালিশপুর থানার এসআই আব্দুল মান্নান হাওলাদার চুরি ও প্রতারণার সত্যতা পেয়ে দণ্ডবিধির ৩৮০/৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিলে আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ওই নারী এএসআই আফরোজা খাতুন মনির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। এছাড়া ওই নারী এএসআই বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। 
এদিকে মামলা দায়েরের পর ওই নারী এএসআই তার প্রথম স্বামীকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরে বেনামে ভুয়া, বানোয়াট ও মনগড়া অভিযোগ দিয়ে তার প্রথম স্বামী মিরাজ উদ্দিনকে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার বাদী মিরাজ উদ্দিন জানান, একটি মামলায় তার সাজা হয়েছিল। সে সময় স্ত্রী আফরোজা খাতুন মিন তাকে তালাক দিয়ে ঢাকায় বদলী হয়ে চলে যান। কিছুদিন পর তাকে আবার স্বামী পরিচয় দিয়ে বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাবি নিয়ে বাসা থেকে টিভিসহ অন্যান্য মালামাল, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ এক লাখ টাকা, ব্যাংকের ডেভিড কার্ড চুরি করে নিয়ে যায়। পরে ডেভিড কার্ড দিয়ে ব্যাংকে থাকা প্রায় ২৪ লাখ টাকা তুলে নিয়ে তাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে বলে অশ্র“সিক্ত কণ্ঠে বলেন তিনি।
এসব বিষয়ে এএসআই আফরোজা খাতুন মনি বলেন, “সাময়িক বরখাস্তে আছি। এসব বিষয়ে কথা বলতে হলে আমার অফিসে এসে উর্ধ্বতন কর্মকতার অনুমতি সাপেক্ষে কথা বলতে হবে।”

প্রিন্ট

আরও সংবাদ