খুলনা | শনিবার | ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ২২ মাঘ ১৪২৯

নতুন মুদ্রানীতিতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ

খবর প্রতিবেদন |
০৩:৪৮ পি.এম | ১৫ জানুয়ারী ২০২৩


চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি (জানুয়ারি-জুন) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৬ দশমিক পাঁচ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রা ধরে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।

আজ রবিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, বিদেশি মুদ্রার সরবরাহে টান, টাকার দরপতন, মূল্যস্ফীতি আর চলতি হিসাবে ঘাটতি বৃদ্ধির মত পরিস্থিতিতে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্যোগ জানিয়ে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে কী পরিমাণ মুদ্রা সরবরাহ করা হবে- তার একটি আগাম ধারণা দেওয়া হয় মুদ্রানীতিতে। গত জুলাইয়ে গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণ করা আব্দুর রউফ তালুকদারের প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা হলো আজ।

এর আগে গত বছর ৩০ জুন মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে অর্থের জোগান কমানোর লক্ষ্যে রেপো (পুনঃক্রয় চুক্তি) সুদহার বাড়িয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ‘সংকোচনমুখী’ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির।

তখন বলা হয়েছিল এ মুদ্রানীতি হবে এক বছর মেয়াদের, যা জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে বাজার সামাল দিতে সেপ্টেম্বরে রেপো হার আরও ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। এখন ছয় মাসের মাথায় আবারও মুদ্রানীতি পর্যালোচনায় যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এক সময়ে ছয় মাসের জন্যই মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হত। ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে এক বছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রচলন শুরু করেন সাবেক গভর্নর ফজলে কবির। আগের মত বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে পরামর্শ এসেছিল মাস দুয়েক আগে ঋণ নিয়ে ঢাকায় আলোচনা করতে আসা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের কাছ থেকেও। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকও তাতে সম্মতি দিয়ে ছয় মাসের মুদ্রানীতি করার কথা বলেছিল। এর ধারাবাহিকতায় আজ ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতির ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ