খুলনা | শুক্রবার | ৩০ জুলাই ২০২১ | ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

'নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে'

খবর প্রতিবেদন |
০৮:০১ এ.এম | ১৫ জুন ২০২১

আজ মঙ্গলবার, ১৪২৮ বঙ্গাব্দের আষাঢ়ের প্রথম দিন। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে শুষ্কপ্রায় প্রকৃতিকে সজীবতার  ভিন্ন মাত্রা দিতে প্রতিবছর ষড়ঋতুর পরিক্রমায় ঘুরে ঘুরে আসে বর্ষা ঋতু।

অবিরাম বারি বর্ষণে স্নিগ্ধ সজীব পরশ বুলিয়ে দিয়ে প্রকৃতিতে প্রশান্তি এনে দেয় বর্ষা। প্রকৃতি রক্ষার ব্রত নিয়ে আসা বর্ষা ঋতুকে বরণ করে নেয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিবছরই বর্ষা উৎসবের আয়োজন করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা।

বর্ষাকালের শুরু আজ। যদিও এবার বর্ষার আমেজ আগে থেকেই শুরু হয়েছে। গ্রীষ্মের শেষদিকে তীব্র দাবদাহের বিপরীতে বৃষ্টিঝরা প্রহরের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে। কদম ফুটেছে আগেভাগেই। তার পরও বৃষ্টি হোক বা না হোক আজ পহেলা আষাঢ়। বর্ষা ঋতুর প্রথম দিন।

যদিও করোনার অতিমারি গতবারের মতো এবারও অন্যান্য উৎসব অনুষ্ঠানের সঙ্গে বর্ষা উৎসবকেও স্বাস্থ্যবিধির আওতায় অনেকটাই ঘরবন্দি করে রাখছে, তবু আজ অনেকেরই মনে পড়বে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের 'নীল অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর'। অথবা 'নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে।'  

আষাঢ়-শ্রাবণের বহুমাত্রিক রূপবৈচিত্র্য বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। রচিত হয়েছে অজস্র গান আর কবিতা।

আবার অতি বর্ষা ক্ষতিকরও। বন্যার শঙ্কা থাকে সব সময়ই। তাই প্রার্থনা, পরিমিত বৃষ্টি হোক। করোনার অতিমারির  সংকটের মধ্যে অতিবৃষ্টি কারো কাম্য নয়।

এখনো উপকূলে সম্প্রতিকালের ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের বেড়িবাঁধ ভাঙনের ক্ষত রয়ে গেছে। তাই অতিবর্ষণে উপকূলবাসীর জন্য কষ্ট বয়ে আনতেও পারে।

প্রিন্ট