খুলনা | বুধবার | ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮ ফাল্গুন ১৪৩০

সমঝোতা ছাড়াই শেষ ১৪ দলের বৈঠক

খবর প্রতিবেদন |
১২:৫৮ এ.এম | ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আসন ভাগাভাগি ছাড়াই শেষ হয়েছে ১৪ দলের বৈঠক। রাত ১০টার দিকে এ বৈঠক শেষ হয়।

এ বিষয়ে ১৪ দল নেতারা জানান, জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর ওপর আসন ভাগাভাগির ভার দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে তিনি বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জোটনেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, মূলত আওয়ামী লীগের শরিক দলগুলো জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে নাকি এককভাবে নির্বাচন করবে তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি নেতারা। শেষমেষ বিষয়টি অমীসাংসিত থেকে যায় এবং আমির হোসেন আমুকে দায়িত্ব দেওয়া হয় সুরাহা করার।

গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৪ দলের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পাটি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, ওয়াকার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক, গণআজাদী লীগের সভাপতি এসকে শিকদার, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ খান, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি সভাপতি জাকির হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ড. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টি সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) সভাপতি মোজাফফর আহমেদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান প্রমুখ। জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা এতে অংশ নেন।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন ফরম জমা দেয়। এবার জোটগতভাবে নির্বাচন হবে কি না, আর হলেও আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। এ নিয়ে জোটের শরিক দলগুলো এক ধরনের ধোঁয়াশায় রয়েছে। এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে ক্ষোভ থাকলেও প্রকাশ্যে মুখ খুলেননি শরিক দলের কোনো নেতা।

তারা বলছেন, ১৪ দল গঠনের পর বিগত তিনটি নির্বাচন জোটগতভাবে হয়েছে। আসন বণ্টন নিয়েও আগেভাগে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে আওয়ামী লীগ। দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার আগেই জোটের আসন বণ্টনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে এবারের নির্বাচনের বিষয়ে তেমনটি ঘটেনি। আসন বণ্টনের বদলে উল্টো জোটগতভাবে নির্বাচন করা না করা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আওয়ামী লীগ। বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়ায় মূলত ধোঁয়াশার তৈরি হয়।
সূত্র : ঢাকা টাইমস 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ