খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯ ফাল্গুন ১৪৩০

আ’লীগের স্মরণ সভা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

খবর ডেস্ক |
০১:৩৪ এ.এম | ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩


প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে একটি হোটেল কক্ষে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকার সুপ্রিমকোর্টের পাশে তিন নেতার মাজারে সমাধি রয়েছে তার। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের খ্যাতনামা বিচারপতি স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ সন্তান। তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি মুসলিম লীগ সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী করেন। শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কও। তার প্রচেষ্টায় ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল, তার নেতৃত্বসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ফল হিসেবে আসে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট এবং অবিস্মরণীয় বিজয়। আর গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকায় সুধী-সমাজ তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যায়িত করে।
আ’লীগের কর্মসূচি : হোসেন শহীদ সোহারাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ৫ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে স্মরণ সভা ও দোয়ার আয়োজন করেছে খুলনা মহানগর আ’লীগ। 
উক্ত কর্মসূচিতে মহানগর আ’লীগ, থানা ও ওয়ার্ড আ’লীগ, সহযোগী সংগঠন ও নির্বাচিত দলীয় কাউন্সিলরসহ সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের উপস্থিত থাকার আহŸান জানিয়েছেন মহানগর আ’লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আব্দুল খালেক এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ