খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯ ফাল্গুন ১৪৩০

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মাঠে সেনাবাহিনী নামানো হবে: ইসি আলমগীর

খবর প্রতিবেদন |
০১:৫৮ পি.এম | ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে মাঠে সেনাবাহিনী নামানো হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা যারা দিয়েছে কিংবা চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী তৎপর আছে।’

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ভাষা সৈনিক আব্দুল জব্বার অডিটোরিয়ামে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের নির্বাচন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা প্রশাসক মুস্তাফিজার রহমান, পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ ভূঁইয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসি আলমগীর বলেন, নির্বাচনকে প্রতিহত করার জন্য যে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে সেটা খুবই সীমিত পর্যায়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন সবকিছুই তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটা কিংবা ভোটাররা উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে যেতে পারবেন না, এমন ঘটনা ঘটার সুযোগ নেই। তফসিল ঘোষণার পর ভোটার-প্রার্থী থেকে শুরু করে সবাই এটাকে উৎসব হিসেবে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপর বিদেশি কোনও চাপ নেই। নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে আমরা কী কী ব্যবস্থা নিয়েছি সে বিষয়ে জানতে চেয়েছে তারা।’

বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংলাপের জন্য বারবার তাদেরকে আহ্বান করা হয়েছে কিন্তু তারা কখনও সাড়া দেয়নি। নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনে বদল করা হচ্ছে, এটা নতুন কিছু নয়।’

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে এবং ভোটারদের কেন্দ্রে আনার ব্যবস্থা তাদেরকেই করতে হবে বলেন এই নির্বাচন কমিশনার।

নির্বাচনকে ঘিরে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই উল্লেখ করে ইসি আলমগীর বলেন, যে কোনো কাজ করতে গেলেই চ্যালেঞ্জ থাকে। ছোটখাটো চ্যালেঞ্জ তো আছেই। তবে কর্মকর্তারা এমন কোনো চ্যালেঞ্জের কথা বলেননি যেটা আমাদের কাছে বড় ইস্যু হিসেবে দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনে রদবদলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের নির্বাচনে অতীতেও জেলা প্রশাসন পর্যায়ে কখনো কখনো পরিবর্তন করা হয়েছে, উপজেলা পর্যায়েও পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে আসার শর্ত হিসেবে যে দাবিগুলো তুলেছিল, এর মধ্যে একটা দাবি ছিল প্রশাসনের রদবদল করতে হবে। তার একটা অংশ হিসেবে এটি করা হয়েছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ