খুলনা | শনিবার | ৩০ অগাস্ট ২০২৫ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩২

বাংলাদেশকে কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

খবর প্রতিবেদন |
১১:২২ পি.এম | ০৮ অগাস্ট ২০২৫


ভোটের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচন ও সরকার গঠন প্রশ্নে অতীতে যুগপৎ সঙ্গীদের দেওয়া কমিটমেন্ট থেকে বিএনপি সরবে না বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী ১২ দলীয় জোট, সমমনা জোট, এলডিপি ও লেবার পার্টির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনাদের ঐক্যের মাধ্যমে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে জুলাই ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবেই সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।’

আগামী ফেব্রুয়ারিতে রমজান শুরুর আগে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেন।

দুই ঘন্টার এই বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং করনীয় বিষয় নিয়ে  আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক মোস্তফা জামাল হায়দার, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নিজ নিজ জোটের এবং এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ ও লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান নিজ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

দুই জোটের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিকল্পধারা বাংলাদেশ এর অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এমএ রকিব, জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরামসহ জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা ছিলেন।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু উপস্থিত ছিলেন।

বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন ১২ দল নিয়ে ‘১২ দলীয় জোট’  এবং ১১ দল নিয়ে ‘জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট’ যুগপৎভাবে অংশ নেয়।

১২ দলীয় জোটের শরিকরা হলো, জাতীয় পার্টি(কাজী জাফর), এলডিপির একাংশ, বাংলাদেশ জাতীয় দল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একাংশ, লেবার পার্টির একাংশ, কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামিক পার্টি, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টি, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শরিকরা হলো, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), জাগপার একাংশ, ডেমোক্রেটিক লীগ (ডিএল), বাংলাদেশ ন্যাপ, বিকল্প ধারা, সাম্যবাদী দল, গণদল, ন্যাপ-ভাসানী, ইসলামী ঐক্যজোট, পিপলস লীগ ও বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টি।