খুলনা | রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | ১৬ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

লিটনের অর্ধশতকের পর সাইফউদ্দিনের ক্যামিওতে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
১১:৪৭ পি.এম | ২৯ নভেম্বর ২০২৫


সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৩৯ রানে হারিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। ফলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তুলে আইরিশরা। লিটন দাসের হাফ সেঞ্চুরি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ক্যামিওতে ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন টাকার। জবাবে ১৯ ওভার ৪ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। টাইগারদের হয়ে ৫৭ রান করেছেন লিটন।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। তবে ৭ রান করে রান আউটে ফিরতে হয় তানজিদ তামিমকে। তাতে ২৬ রানে ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি।

তামিম দ্রুত ফিরলেও আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন দারুণ ব্যাটিং করেছেন। ২৮ বলে ৪৩ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। তিনে নেমে ফিফটি পেয়েছেন লিটন দাস। এক প্রান্ত আগলে রেখে দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করেছেন অধিনায়ক। ৩৪ বলে ফিফটি করেন তিনি। সবমিলিয়ে ৩৭ বলে ৫৭ এসেছে তার ব্যাট থেকে।

মিডল অর্ডারে তাওহিদ হৃদয়-নুরুল হাসান সোহানরা দ্রুত ফিরলে কিছুটা হলেও জয় নিয়ে শঙ্কা জাগে। তবে শেষদিকে ৭ বলে অপরাজিত ৭ রানের ইনিংসে সেই শঙ্কা উড়িয়ে দেন সাইফউদ্দিন।

এর আগে পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টরের ব্যাটে দুর্দান্ত শুরু পায় আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ইনিংস ওপেন করা শেখ মেহেদি প্রথম ওভারেই ৩ বাউন্ডারি হজম করেছেন। পরের ওভার করতে এসে আরেক স্পিনার নাসুম আহমেদও বেশ খরুচে ছিলেন। ২ বাউন্ডারিতে ১৪ রান খরচ করেন তিনি।

আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের তৃতীয় ওভারের খেলা চলাকালে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট। প্রথমে দুটি ফ্লাডলাইট বন্ধ হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই চারটি ফ্লাডলাইটই বন্ধ হয়ে যায়। ফলে খেলা বন্ধ থাকে মিনিট দশেক।

এরপর আবারো খেলা শুরু হলেও ছন্দ ধরে রাখে আইরিশরা। দারুণ শুরু করা স্টার্লিংকে পঞ্চম ওভারে থামান তানজিম সাকিব। সাইফের হাতে ধরা পড়ার আগে ১৪ বলে ২৯ রান করেছেন এই ওপেনার।

পল স্টার্লিং ফিরলেও পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর রীতিমতো টর্নেডো বইয়ে দেয় সফরকারীরা। ৬ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তুলে তারা। টি–টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে আয়ারল্যান্ডের এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর, বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা টিমকে ফেরান শেখ মেহেদি। ২৫ বলে ৩৮ রান করে এই ওপেনার ফিরলে সেটার প্রভাব পড়ে তাদের রানরেটে। এরপর হ্যারি টেক্টর ও বেন কার্টিজ দ্রুত ফিরলে আইরিশদের চেপে ধরে বাংলাদেশ।

শেষদিকে টাকার কিছুটা লড়াই করেছেন। তাতে ১৭০ রানের সংগ্রহ পায় সফরকারীরা।