খুলনা | শুক্রবার | ০২ জানুয়ারী ২০২৬ | ১৯ পৌষ ১৪৩২

মুহাম্মদ মুরসালীনের পর এনসিপি থেকে মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগ

খবর প্রতিবেদন |
০১:৩৪ এ.এম | ০২ জানুয়ারী ২০২৬


দুই ঘণ্টার ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরেক কেন্দ্রীয় নেতা মুশফিক উস সালেহীন পদত্যাগ করেছেন। তিনি দলটির যুগ্ম-সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় এনসিপি আহŸায়কের কাছে অনলাইনে পদত্যাগপত্র পাঠান মুশফিক। এ নিয়ে একদিনে দলটির দুইজন নেতা পদত্যাগ করলেন। 
এর আগে দুপুর পৌনে তিনটার দিকে নিজের ফেসবুক এ্যাকাউন্ট থেকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পদত্যাগ করেন এনসিপির যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন। এ সময় তিনি এনসিপির বিরুদ্ধে ‘পুরোনো উপনিবেশিক ব্যবস্থার অংশীজনদের সঙ্গে আপস’ করার অভিযোগ আনেন। এ নিয়ে গত আট দিনে আটজন নেতা পদত্যাগ করলেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের খবর বের হওয়ার পর থেকেই এনসিপির একটি অংশ এর বিরোধিতা করছিল। জোটের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে দলের ৩০ জন কেন্দ্রীয় নেতা আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি দেন। সেই স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছিলেন মুশফিক ও মুরসালীন। 
এছাড়া ২৫ ডিসেম্বর দলের আহবায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় বৈঠকে অংশ নেন ছয় নেত্রী। তারা হলেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-আহবায়ক সামান্থা শারমিন, যুগ্ম-আহবায়ক মনিরা শারমিন, নুসরাত তাবাসুম, তাজনূভা জাবীন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সদস্য সচিব তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ার নিভা। বৈঠকে তারা প্রায় চূড়ান্ত হওয়া জামায়াত-এনসিপির আসন সমঝোতা নিয়ে আপত্তি জানান। 
এই পদত্যাগের ধারা শুরু হয় তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিনে। তাকে সমর্থন জানিয়ে সেদিন পদত্যাগ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক। এর দুইদিন পর পদত্যাগ করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তাসনিম জারা। ঘোষণা দেন স্বতন্ত্র নির্বাচনের। পরদিন পদত্যাগ করেন যুগ্ম-আহবায়ক তাজনূভা জাবীন। এমনকি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর আরও দুই নেতা পদত্যাগ করেন। তারা হলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল) ও কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী। ৩১ ডিসেম্বর রাতে এনসিপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্র“পে নিজের পদত্যাগ পাঠিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুগ্ম-আহবায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।