খুলনা | রবিবার | ১১ জানুয়ারী ২০২৬ | ২৮ পৌষ ১৪৩২

৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে চাই না: তারেক রহমান

‘মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু মতবিভেদ জাতিকে বিভক্ত করে ফেলে’

খবর প্রতিবেদন |
০১:৩৩ এ.এম | ১১ জানুয়ারী ২০২৬


বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন রকম মতপার্থক্য আছে। এসব মতপার্থক্য নিয়ে আলাপ-আলোচনা হতে হবে। কিন্তু মতবিভেদ যেন জাতিকে বিভক্ত করে না ফেলে, সে বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। যেকোনও মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু রাখতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শনিবার রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিএনপি।
তারেক রহমান বলেন, “আমাদের সমস্যা ছিল। আমাদের সমস্যা আছে। অবশ্যই আমরা ৫ আগস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না। আমি আমার অবস্থা থেকে যদি চিন্তা করি, আমার একপাশে ১৯৮১ সালের একটি জানাজা, ২০২৫ সালে ৩১ ডিসেম্বর একটি জানাজা এবং আরেক পাশে ২০২৪ সালে ৫ আগস্টের একটি ঘটনা। আমার মনে হয়, এটি আমার একার জন্য নয়, যারা আমার দলের নেতা, কর্মী, সদস্য ও সামগ্রিকভাবে পুরো দেশের মানুষের সামনে বোধহয় এই দু’টি বাছবিচার করার জন্য সবচেয়ে ভালো উদাহরণ যে, ৫ আগস্টে ফিরে যাওয়ার কোনও কারণ নেই আমাদের।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “হিংসা, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা একটি মানুষ একটি দল বা যেভাবেই আমরা বিবেচনা করি, তার পরিণতি কী হতে পারে আমরা ৫ আগস্ট দেখেছি। সেজন্য সবাইকে অনুরোধ করবো, দলমত নির্বিশেষে, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু আমরা যদি চেষ্টা করি তাহলে সেই মতপার্থক্যটাকে মতপার্থক্যের মধ্যে রেখে আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান হয়তো আমরা বের করে আনতে সক্ষম হবো।”
তিনি বলেন, “কিন্তু কোনো ভাবেই যাতে সেটি মতবিভেদের পর্যায়ে চলে না যায়। মতবিভেদ হলে, জাতিকে বিভক্ত করে ফেললে কী হতে পারে আমরা দেখেছি। আজ সেজন্য অনেকের মুখে অনেক হতাশার কথা আমরা শুনি। কিন্তু তারপরও আশার কথা হচ্ছে যে তাদের কাছে ভবিষ্যতের চিন্তাও আছে। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আছে।”
তারেক রহমান বলেন, “এখানে একজন বক্তা বলে গেছেন, সামানে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার কাছে মনে হয়, সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন রকম মতপার্থক্য আছে। আমাদের বিভিন্ন মতপার্থক্যগুলো নিয়ে যাতে আলাপ ও আলোচনা করতে পারি, আমাদের যেকোনও মূল্যে ডেমোক্রেটিক প্রসেস, যেটা আমরা ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখ থেকে শুরু করতে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে এনটিভি’র জহিরুল হক সাহেব, অনেক আগে আমার একটা সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। সম্ভবত উওনাকে আমি বলেছিলাম অথবা মতি ভাই (মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী) এখানে উপস্থিত আছেন। সম্ভবত ওনার সাক্ষাৎকারে আমি বলেছিলাম আমাদের যেকোনও মূল্যে হোক ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা চালু রাখতে হবে। আমাদের জবাবদিহিতা চালু রাখতে হবে।”
তারেক রহমান বলেন, “এখানে একজন বক্তা পানির কথা বলেছেন। তার সঙ্গে আমার কিছুদিন আগে কথা হয়েছিল। তার সামনে আমি আরও বিষয় তুলে ধরেছি। দেশে ফিরে আসার পরে যে কয়বার বাইরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে, সাভারে গিয়েছিলাম। আরও কয়েকটি জায়গায় গিয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে, নতুন প্রজন্ম একটি গাইডেন্স চাইছে। নতুন প্রজন্ম একটি আশা দেখতে চাইছে। শুধু নতুন প্রজন্ম নয়। আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রতিটি প্রজন্মই মনে হয় একটি গাইডেন্স চাইছে।”
বিএনপি’র চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা যারা রাজনীতি করি, আমাদের কাছে হয়তো অনেক প্রত্যাশা। সব প্রত্যাশা হয়তো পূরণ করা সম্ভব না। কিন্তু আমরা রাজনীতিবিদরা যদি ১৯৭১ সাল, ১৯৯০ সাল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, এই সবগুলোকে আমাদের সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা, দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি তাহলে নিশ্চয় আমার কাছে মনে হয়, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা জাতিকে একটি সঠিক ডাইরেকশনে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো।”
তিনি বলেন, অতীতে বিভেদের রাজনীতি জাতিকে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তার অভিজ্ঞতা সবার জানা। তাই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই রাজনৈতিক কর্মীদের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, আমাদের সমস্যা ছিল, সমস্যা আছে। আমরা অবশ্যই ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না।
তারেক রহমান বলেন, আমি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী। আগামী ২২ তারিখ থেকে আমাদের সব (নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা) নিয়ে জনগণের কাছে যাবো।
৪ কোটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ : দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের জন্য একটি যুগান্তকারী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর প্রস্তাব দেন তারেক রহমান। এই পরিকল্পনার মূল কেন্দ্রে থাকবেন পরিবারের গৃহিণীরা। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের গৃহিণী ৫ থেকে ৭ বছর আর্থিক বা খাদ্য সহায়তা পাবেন বলে জানান তিনি। 
তারেক রহমান বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে নারীদের হাতে অর্থ থাকলে তা মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগে ব্যয় হয়, যা পরিবার ও স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।
তিনি আরও জানান, এই সুবিধা হবে সর্বজনীন, যাতে দলীয় পরিচয় বা শ্রেণিবিভাগের কারণে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা বৈষম্যের সুযোগ না থাকে।
স্বাস্থ্যখাতে ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা’ ও নতুন কর্মসংস্থান : স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে উন্নত বিশ্বের আদলে ‘প্রিভেনশন’ বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর জোর দেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, জনগণকে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগেই সচেতন করতে প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এই স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ হবেন নারী। তারা ঘরে ঘরে গিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবেন। এর ফলে একদিকে জনস্বাস্থ্য উন্নত হবে, অন্যদিকে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, এমন সমালোচনা করুন, যাতে আমরা দেশের জনগণের সমস্যা সমাধান করতে পারি। 
অনুষ্ঠানে দেশের প্রবীণ, নবীন সাংবাদিকেরা কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথা বলেন।
অংশ নিয়েছেন যে সাংবাদিকেরা : দেশের গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক ও কর্মরত রিপোর্টারদের সঙ্গে মত বিনিময় করেছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকেরা বিভিন্ন দাবি, অবস্থান তুলে ধরেন। পরে তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারেক রহমান। 
মতবিনিময়ে সম্পাদকদের মধ্যে, যায় যায় দিনের শফিক রেহমান, ডেইলি স্টারের মাহফুজ আনাম, মানবজমিনের মতিউর রহমান চৌধুরী, দৈনিক ইনকিলাবের এএমএম বাহাউদ্দিন, আমার দেশের মাহমুদুর রহমান, নিউএজের নুরুল কবির, যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ইনাম আহমেদ, কালের কণ্ঠের হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, বণিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের মোঃ রেজাউল করিম, সুরমা‘র (লন্ডন) শামসুল আলম লিটন, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, আজকের পত্রিকার কামরুল হাসান, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকন্ঠের শহীদুল ইসলাম, দেশ বার্তার সালেহ বিপ্লব, নিউ নেশনের মোকাররম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও নয়া দিগন্তের মাসুমুর রহমান খলিলী, প্রথম আলোর সাজ্জাদ শরীফ, সময়ের আলোর সৈয়দ শাহনাজ করিম, বার্তা সম্পাদক হাসসান আতিক, জনকন্ঠের খুরশীদ আলম, বাংলা বাজার পত্রিকার রাশেদুল হক, যুগান্তরের এনাম আবেদীন, টাইম অব বাংলাদেশের ইলিয়াস খান, আমাদের সময়ের নজরুল ইসলাম,  দৈনিক নাগরিক সংবাদের সুমন প্রামানিক, দিকপালের সম্পাদক শাহীন রাজা, নাগরিক প্রতিদিনের হাসনাইন খুরশীদ উপস্থিত ছিলেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, বাসসের চেয়ারম্যান আনোয়ার আল দীন, প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, ইউএনবির প্রধান সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান, সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ, ঢাকা মেইলের সম্পাদক হারুন জামিল, বাংলা ট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক উদিসা ইসলাম ও ঢাকা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল ইসলাম মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
বিবিসির সম্পাদক মীর সাব্বির মোস্তফা, বিশেষ প্রতিনিধি কাদির কল্লোল, আল জাজিরার তানভীর চৌধুরী, রয়টার্সের রুমা পাল, এএফপির শেখ সাবিহা আলম প্রমুখ ছিলেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুব আলম, জেনারেল ম্যানেজার নুরুল জম পবন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক জেড এম জাহেদুর রহমান। বেসরকারি টেলিভিশনের শীর্ষ প্রধানদের মধ্যে ছিলেন, সময় টিভির জুবায়ের আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের শাইখ সিরাজ, বাংলা ভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, এনটিভির ফখরুল আলম কাঞ্চন, মোস্তফা খন্দকার, ইটিভির আবদুস সালাম, যমুনা টিভির ফাহিম আহমেদ, ডিভিসির লোটন একরাম, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, এটিএনের হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবীর সুমন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরীফুল ইসলাম খান, গ্রীন টিভির মাহমুদ হাসান, গাজী টিভির গাউসুল আজম দীপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, মাছরাঙার রেজানুল হক রাজা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, আরটিভির ইলিয়াস হোসেন, মোহনা টিভির এমএ মালেক, স্টার টিভির ওয়ালিউর রহমান মিরাজ, এখন এর তুষার আবদুল্লাহ, ইন্ডিপেনডেন্টের মোস্তফা আকমল, মাইটিভির ইউসুফ আলী প্রমুখ।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, আবদুল আউয়াল ঠাফুর, এম এ আজিজ, নুরু উদ্দিন নুরু, একেএম মহসিন, শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, খাজা মাইন উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম রনি, হাফিজুর রহমান, গিয়াস উদ্দিন রিপন, হাফিজুর রহমান সরকারসহ বিভিন্ন পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমার রুমন, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবির খান, আবু সায়েম, বিএনপি’র সাইমুম পারভেজ, শামসুদ্দিন দিদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার এবং চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিডিয়া সেলের আহŸায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। অনুষ্ঠানে সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তৃতা করেন।