খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ | ২ মাঘ ১৪৩২

বেনাপোলে মিথ্যে ঘোষণায় আনা ৩০ লাখ টাকার সাড়ে ৩ টন ভারতীয় ইলিশের চালান আটক

বেনাপোল প্রতিনিধি |
১২:২৬ এ.এম | ১৫ জানুয়ারী ২০২৬


বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইলিশ মাছের চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পণ্য চালানটিতে সাদা মাছের সাথে ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় সাড়ে ৩ টন ভারতীয় ইলিশ মাছ আমদানি করা হয়েছে। পচনশীল পণ্য বিবেচনায় নিয়ে অন্যান্য মাছগুলি খালাসের ব্যবস্থা করা হলেও ইলিশ মাছ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 
জানা গেছে গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ৩১ নম্বর কাঁচামালের শেডে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানটি আটক করে শুল্ক গোয়েন্দার সদস্যরা। আমদানিকৃত দু’টি ভারতীয় ট্রাক (WB25K-3029 ও WB11E-5027) থেকে পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ দেখা দিলে কাস্টমসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কায়িক পরীক্ষা চালানো হয়। কায়িক পরীক্ষায় ঘোষণাপত্রে ‘সুইট ফিস’ বোয়াল, ফলিও ও বাঘাইড় মাছ উলে­খ থাকলেও বাস্তবে ২২৫ প্যাকেজের মধ্যে ৫৪ প্যাকেজে পাওয়া যায় প্রায় সাড়ে ৩ টন ভারতীয় ইলিশ মাছ। যার বাজার মূল্য প্রায় ত্রিশ লাখ টাকা। ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের এই স্পষ্ট অমিলের কারণে পুরো চালানটি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়। 
পণ্য চালানটির ভারতীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরজে ইন্টারন্যাশনাল। আর আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদশের  সাতক্ষীরার মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ। উভয় পক্ষের সমন্বয়েই ঘোষণাপত্রে পণ্যের প্রকৃতি গোপন রেখে উচ্চমূল্যের ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য কম শুল্কে খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে। 
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, ঘোষণাপত্রে উলি­খিত পণ্যের সঙ্গে কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া পণ্যের স্পষ্ট অমিল পাওয়া গেছে।এটি শুল্ক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সি এ্যান্ড এফ এজেন্টের ভূমিকা তদন্তাধীন রয়েছে এবং দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।