খুলনা | রবিবার | ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | ৫ মাঘ ১৪৩২

দুই সেঞ্চুরির ম্যাচে নোয়াখালীকে হারাল রংপুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
০৫:৩৭ পি.এম | ১৮ জানুয়ারী ২০২৬


রংপুর রাইডার্সের জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৬ রান। মেহেদি হাসান রানার করা ওভারের প্রথম তিন বলে ৩ রান নেন লিটন-খুশদিল জুটি। চতুর্থ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে অনেকটাই উপরে তুলে দেন লিটন, তবে ফাঁকা জায়গায় পড়ায় ২ রান পেয়ে যেন। ২ বলে যখন এক রান দরকার, তখন ওয়াইড করেন রানা। ফলে ২ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে রংপুর।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দলের হয়ে অপরাজিত ১০৭ রান করেন হাসান ইসাখিল। জবাবে ১৯ ওভার ৪ বলে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রংপুর। ৬৩ বলে ১০৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন তাওহিদ হৃদয়।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই চড়াও হন তাওহীদ হৃদয়। তবে আরেক ওপেনার ডেভিড মালান বেশ ভুগেছেন। হৃদয় রানের চাকা সচল রাখলেও মালানকে রান পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ১৭ বলে ১৫ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৭৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

তিনে নেমে লিটনও বেশ ধীর গতির ব্যাটিং করেছেন। ৩৫ বলে করেছনে অপরাজিত ৩৯ রান। তবে আরেক প্রান্তে রীতিমতো ঝড় তোলেন হৃদয়। ২৭ বলে করেন ফিফটি। আর সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন ৫৭ বলে। সব মিলিয়ে ৬৩ বলে ১০৯ রান করেছেন এই ওপেনার।

এর আগে নোয়াখালীর ইনিংসের শুরুটা ছিল ধীরগতির। রহমত আলি ৯ এবং জাকের আলি অনিক মাত্র ৩ রানে আউট হয়ে যান। ফলে ৭.৫ ওভারে মাত্র ৩৬ রান তুলতেই তারা ২ উইকেট হারায়। ইনিংসের বাকিটা সময় খেলেছেন ইসাখিল ও অধিনায়ক হায়দার আলি। ইসাখিল ৭২ বলে ৪টি চার ও ১১ ছক্কায় ১০৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। এ ছাড়া ৩২ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৪২ রান করেন হায়দার।  

ইসাখিল প্রথম কোনো আফগান ব্যাটার হিসেবে এবং এবারের বিপিএলে দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন। আসরের প্রথম সেঞ্চুরি করেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় ৯৭, ইসাখিল ৯২ ও নাসির হোসেন ৯০ রান করেন।

রংপুরের পক্ষে একটি করে উইকেট শিকার করেছেন আলিস আল ইসলাম ও নাহিদ রানা।