খুলনা | বুধবার | ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮ ফাল্গুন ১৪৩০

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্র্নিমাণ করবে তুরস্ক

খবর প্রতিবেদন |
০১:০১ পি.এম | ১৯ নভেম্বর ২০২৩


ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি হলে তুরস্ক ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো, হাসপাতাল ও স্কুল পুনর্র্নিমাণের প্রচেষ্টা চালাবে বলে জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরায়েল ধ্বংস থেকে হওয়া ক্ষতি পোষাতে গাজাবাসীর জন্য সবকিছু করবে তুরস্ক।

বার্লিন সফর থেকে ফেরার পথে বিমানে সাংবাদিকদের এরদোয়ান বলেন, 'যদি একটি যুদ্ধবিরতি হয়, আমরা ইসরায়েলের সৃষ্ট ধ্বংসের ক্ষতিপূরণের জন্য যা যা করা দরকার তা করব। জার্মানি সফরে দেশটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এরদোয়ান। খবর রয়টার্সের

এরদোয়ান বলেন, 'আমরা গাজার ক্ষতিগ্রস্থ অবকাঠামো পুনর্র্নিমাণ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত স্কুল, হাসপাতাল, পানি ও জ্বালানি সুবিধাগুলো পুনর্র্নিমাণের চেষ্টা করব।

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে এরদোয়ান ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র আছে কিনা তা ঘোষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেটি পুনরায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'তুরস্ক হিসেবে আমরা এই আহ্বান জানাচ্ছি। অনেক দেরি হওয়ার আগেই ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র অবশ্যই সন্দেহাতীতভাবে পরিদর্শন করা উচিত। আমরা এটি অনুসরণ করব।'

শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে।

গাজার সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে পাঁচ হাজার জন শিশু এবং  তিন হাজার ৩০০ জন নারী।

ফিলিস্তিনি তথ্য কেন্দ্র জানিয়েছে, এক হাজার ৮০০ শিশু-সহ আরও তিন হাজার ৫৭০ জন নারী নিখোঁজ রয়েছেন।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েলিরা এক হাজার ২৭০টি গণহত্যা চালিয়েছে। তারা মোট ২০০ চিকিৎসক, ২২ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মী এবং ৫১ জন সাংবাদিককে হত্যা করেছে।

তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনে ২৫টি হাসপাতাল এবং ৫২টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী ৫৫টি অ্যাম্বুলেন্সে হামলা করেছে।